এলএনজি সরবরাহের অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল আবার কার্যক্রম শুরু করেছে। স্পট মার্কেট থেকে কেনা ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের (বিপি) এলএনজিবাহী একটি কার্গো নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই পৌঁছানোর পর টার্মিনালে এলএনজি খালাস শুরু হয়েছে, ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রায় তিন দিন আগে কার্গোর অভাবে এক্সিলারেটের টার্মিনালে মজুত এলএনজি শেষ হয়ে যায়, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে গ্যাস সংকট তৈরি করেছিল। পেট্রোবাংলা আগে জানিয়েছিল পরবর্তী কার্গো রোববার আসতে পারে, তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই পৌঁছানোয় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
পট্রোবাংলার পরিচালক মো. শোয়েব জানান, কার্গো আসার পর এলএনজি খালাস ও গ্যাসে রূপান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগে, তাই তাৎক্ষণিকভাবে টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরবে না। অন্যদিকে, সামিটের টার্মিনালে আরেকটি কার্গো ভিড়লেও তা আগে থেকেই সর্বোচ্চ সক্ষমতায় দৈনিক প্রায় ৫৭ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে, ফলে নতুন কার্গো এলেও অতিরিক্ত সরবরাহের সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৫৭ কোটি ঘনফুট ও দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে ১৬২ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট সরবরাহ হয়েছে; মোট সরবরাহ ২১৯ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট (চাহিদার ৫৭.৮ শতাংশ)। দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের সম্মিলিত দৈনিক সরবরাহ সক্ষমতা প্রায় ১১০ কোটি ঘনফুট, যেখানে বৃহস্পতিবার সরবরাহ ছিল সক্ষমতার প্রায় ৫২ শতাংশ।
মন্তব্য (0)
আপনার মন্তব্য লিখুন
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!