গোপালগঞ্জের তিনটি পৃথক স্থান থেকে দুই কৃষকসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে মুকসুদপুর উপজেলার ভট্টাচার্যের কান্দি গ্রামের একটি খাল, দুপুরে সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রাম ও কাশিয়ানী উপজেলার শাফলীডাঙ্গা গ্রাম থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মুকসুদপুরে কৃষক মিটু খলিফার মরদেহ উদ্ধার করা হয় খাল থেকে। সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার আওরঙ্গজেব জানান, গতকাল শনিবার বাড়ির কাছের জমিতে পাট কাটতে যান মিটু খলিফা। পাট কাটা শেষে খাল সাঁতরে বাড়িতে আসার সময় তিনি নিখোঁজ হন। পরিবারের লোকজন খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসও খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান পায়নি। আজ সকালে স্থানীয়রা খালে তার মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ ছাড়া সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে নেশার টাকার জন্য বাবার সঙ্গে ছেলে শান্ত মোল্যার (২০) কথা কাটাকাটি হয়। পরে তিনি নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেন। পরিবারের লোকজন ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
অন্যদিকে, কাশিয়ানী উপজেলার শাফলীডাঙ্গা গ্রামে নিজের বসতঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় বাবুল মিয়া নামে অপর এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের স্ত্রীর দাবি, বাবুল মাদকাসক্ত ছিলেন।
মন্তব্য (0)
আপনার মন্তব্য লিখুন
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!