জাতীয় পতাকার আইনবহির্ভূত ও অবমাননাকর ব্যবহার বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এসএম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
আইনজীবী শরীফ সরকারের করা রিট আবেদনের শুনানি করেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী। রুলে জাতীয় পতাকা পেছনে রেখে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে বসা এবং এভাবে পতাকা ব্যবহার কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
আদালত অন্তবর্তী আদেশে জাতীয় পতাকার ব্যবহার বিধিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন—যেখানে থাকবেন একজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন সরকারি প্রতিনিধি। কমিটিকে ৬০ দিনের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের আইনগত বৈধতা, পতাকার নির্ধারিত দৈর্ঘ্য-প্রস্থ যথাযথ অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী জানান, সম্প্রতি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের চেয়ারের পেছনে বা সোফার পাশে পতাকা রেখে বসতে দেখা যাচ্ছে, অথচ 'বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২'-এ সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে।
মন্তব্য (0)
আপনার মন্তব্য লিখুন
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!