পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা, ক্ষমা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবী (সা.)-এর শুভাগমন মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা। তিনি সত্য, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, মানবিকতা ও শান্তির শিক্ষা দিয়েছেন; তার জীবন সমগ্র মানবজাতির জন্য চিরন্তন পথনির্দেশ ও অনুসরণীয় আদর্শ।
তিনি পবিত্র কুরআনের আয়াত (সূরা আল-আহযাব, ২১) উল্লেখ করে বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ছিল পবিত্র কুরআনের শিক্ষার বাস্তব প্রতিফলন—সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ন্যায়বিচার, ক্ষমাশীলতা, সহনশীলতা, দয়া ও পরোপকারের অনন্য দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন।
মহানবী (সা.) জাতি, বর্ণ, গোত্র, ভাষা ও সামাজিক অবস্থানের বিভেদ অতিক্রম করে মানুষের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় জোর দিয়েছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্ব যুদ্ধ, সংঘাত, বৈষম্য ও নৈতিক অবক্ষয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে; এমন সময়ে মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
তিনি তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও উগ্রতা থেকে দূরে রেখে জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিকতার চেতনায় গড়ে তুলতে মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শকে প্রেরণার উৎস হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, তার আদর্শ অনুসরণ করেই আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।
মন্তব্য (0)
আপনার মন্তব্য লিখুন
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!