উৎসবের রঙে সাজছে...
জাতীয়

স্কুল ভর্তিতে লটারি বাতিল ও শিক্ষা সংস্কার: মানোন্নয়নে ১২ দফা লক্ষ্যমাত্রা

স্কুল ভর্তিতে লটারি বাতিল ও শিক্ষা সংস্কার: মানোন্নয়নে ১২ দফা লক্ষ্যমাত্রা
লেখা বড়/ছোট করুন:

মতামত ও বিশ্লেষণ: দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ও মানোন্নয়নে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নতুন পদক্ষেপগুলো নিয়ে ইতিবাচক ও নেতিবাচক—উভয় ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ সরকারের ১২ দফা প্রাথমিক কার্যসূচিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার প্রকৃত মানোন্নয়ন নিয়ে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেছেন।

​১২ দফা লক্ষ্যমাত্রা ও সরকারের অঙ্গীকার:

নবনির্বাচিত সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ শিক্ষার মানোন্নয়নে একটি ১২ দফার প্রাথমিক কার্যসূচি ঘোষণা করেছেন। এই পরিকল্পনার প্রধান দিকগুলো হলো:

​শিক্ষার বাজেট বাড়ানো এবং তথপ্রযুক্তির ব্যবহার (যেমন: ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব) নিশ্চিত করা।

​শিক্ষাক্রম ও পরীক্ষাপদ্ধতি পর্যালোচনা এবং বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু করা।

​শিক্ষাব্যবস্থা থেকে দুর্নীতি দূর করা এবং কারিগরি ও কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া।

​শ্রেণিকক্ষের শিখন মান ও বড় চ্যালেঞ্জ:

অধ্যাপক মনজুর আহমদ উল্লেখ করেছেন যে, সকল উদ্যোগের চূড়ান্ত সফলতা নির্ভর করে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার ওপর। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা ব্যাপকভাবে কোচিং সেন্টার ও গাইড বইয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ায় শিক্ষা একটি বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে। এর ফলে অনেক শিশু পড়া, লেখা ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না।

​অতিরিক্ত প্রত্যাশা ও ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণ:

গণসাক্ষরতা অভিযানের পক্ষ থেকে ১২ দফা কার্যসূচিকে স্বাগত জানিয়ে আরও কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়েছে:

​অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকে সম্পূর্ণ অবৈতনিক ঘোষণা করা।

​বিদ্যালয়ে মধ্যাহ্নভোজ (মিড ডে মিল) কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং একটি সমন্বিত শিক্ষা আইন প্রণয়ন করা।

​বঞ্চিত জনগোষ্ঠী, আদিবাসী এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষার ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে বাড়তি বাজেট বরাদ্দ দেওয়া।

আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন?

শেয়ার করুন:

মন্তব্য (0)

আপনার মন্তব্য লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!